- আপডেটের সময়: ০৫:৪৭:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫
- / ০ সময় দেখুন

রিপন মিয়া ,সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)প্রতিনিধি :মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার বায়রা ইউনিয়নের উত্তর গাড়াদিয়া পূর্ব পাড়ায় ১৫ বছরের এক বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়ে অন্তঃসত্তার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। অভিযুক্ত নায়েছ আলীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত নায়েছ আলী (৩৬) একই ইউনিয়নের উত্তর শিবপুর গ্রামের নবু মিয়ার ছেলে।
শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন সিংগাইর থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) জে.ও.এম তৌফিক আজম। তিনি বলেন, ভিকটিমকেও থানায় এনে ২২ ধারায় জবানবন্দীর জন্য আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, শনিবার সকালে ভিকটিমের বাবা নায়েছ আলীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের আগেই থানা পুলিশ বিষয়টি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছ থেকে অবগত হলে রাতেই নায়েছ আলীকে তার বসতবাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে ।
মামলার এজাহারসূত্রে প্রকাশ, ভিকটিমের বসতবাড়ির পাশে অভিযুক্ত নায়েছ আলী আখ ক্ষেত ক্রয় করে। সেই সুবাদে মাঝেমধ্যেই যাতায়াত ছিল তার। গত ৩০ সেপ্টেম্বর দুপুরে বাক ও বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ওই তরুণীকে আখ খাওয়ার জন্য যায়। তখন নায়েছ আলী আখ দেয়ার প্রলোভনে কৌশলে ক্ষেতের পূর্ব পাশে বাঁশঝাড়ে নিয়ে ধর্ষণ করে।
ঘটনার পর বিষয়টি কাউকে না জানানোর জন্য নায়েছ আলী ভিকটিমকে ভয়- ভীতি দেখিয়ে চলে যায় ।
এদিকে, ওই তরুণীর বমিসহ অসুস্থতা টের পেয়ে পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে কিট দিয়ে প্রেগনেন্সি টেস্ট করে অন্তঃসত্ত্বার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। এরমধ্যে অভিযুক্ত নায়েছ আলী ২১ নভেম্বর দুপুরের দিকে ভিকটিমের বাড়িতে টিউবওলের পানি খেতে গেলে ভুক্তভোগী তরুণী ইশারা- ইঙ্গিতের মাধ্যমে ঘটনার জন্য তাকে শনাক্ত করে। পরে অভিযুক্ত নায়েছ আলী গালিগালাজ করে প্রতিবেশী আলাল উদ্দিন ও রাবেয়ার উপস্থিতিতে ১০ হাজার টাকা দেয়ার প্রস্তাবে গর্ভের সন্তান নষ্ট করে চুপ থাকার পরামর্শ দিয়ে চলে যায় বলে মামলার বাদী এজাহারে উল্লেখ করেন।
গ্রেপ্তারের আগে অভিযুক্ত নায়েছ আলীর সঙ্গে তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,মুখের একটা কথায় আমি এ দুর্দশায় পড়েছি। বিষয়টি সমাধানের জন্য আমার মুরুব্বী হাশেম ভাই ও কুদ্দুস ভাইকে মেয়ের পক্ষের লোকজনের কাছে পাঠানো হয়েছে। তারা কতটুকু কি করেছেন আমি এখনো জানতে পারিনি।








